FANCIM.COM-ADS-01848272767
নিবন্ধ

এলার্জি জাতীয় খাবার

এলার্জি জাতীয় খাবার

এলার্জি খুবই বিরক্তিকর একটি রোগ । প্রায় প্রতিটি পরিবারেই এলার্জিতে আক্রান্ত রোগীর দেখা পাওয়া যায়। এলার্জি জাতীয় খাবার খেলে রোগির মধ্যে এর প্রভাব প্রকাশ পায় । কারও দুধে এলার্জি, কারও বিশেষ কোন সবজি কিংবা ফলে, আবারও কারও ধুলোবালিতে। সবজির মধ্যে বেগুন, টমেটো, ফলের মধ্যে আনারস, কলা থেকে যেমন অ্যালার্জি হতে পারে, তেমনই মাশরুম বা হাঁসের ডিম খেলেও অনেকের এলার্জি হতে পারে। তবে একজনের যে খাবারে এলার্জি হয়, অন্যজনের সেই খাবারে না ও হতে পারে। এখানে আমরা FANCIM.COM এর পাঠকদের জন্য এলার্জি হতে পারে এমন খাবারের তালিকা তুলে ধরেছি ।

এলার্জি জাতীয় খাবার  –

দুধ: তিন বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে আড়াই শতাংশ শিশুর গরুর দুধে অ্যালার্জি থাকে। তবে দুধে অ্যালার্জি থাকা আর ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্স, কখনই এক নয়।

গম: গমের আটা, পাঁউরুটি খেলে এলার্জির সম্ভাবনা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। শিশুদের যদি গমে এলার্জি থাকে, তাহলে বার্লি বা অন্যান্য দানাশস্যের ক্ষেত্রেও সেই এলার্জি দেখা যেতে পারে।

সয়া: সাধারণত শিশুদের ক্ষেত্রেই সয়া থেকে এলার্জি দেখা যায়। সয়াবিনস, সয়া মিল্কে অ্যালার্জি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ১০ বছর বয়সের পর থেকে কমে আসে।

ডিম: অধিকাংশ শিশুই দুধের মতোই ডিমের অ্যালার্জিতে ভোগে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ডিমের সাদা অংশে থাকা প্রোটিন থেকে এই অ্যালার্জি হয়। তবে অ্যালার্জি থাকলে ডিম পুরোপুরি এড়িয়ে চলাই ভাল।

বেগুন: বেগুনও একটি এলার্জি জাতীয় খাবার । এলার্জি আক্রান্ত রোগী বেগুন খেলেও এলার্জি দেখা দিতে পারে ।

টমেটো: টমোটো বেগুনেরই একটি প্রজাতি । টমেটো খেলেও এলার্জি বাড়তে পারে ।

ট্রি নাটস: কাজু, পেস্তা, আমন্ড, আখরোট, ব্রাজিল নাটে অনেকেরই এলার্জি থাকে। তবে কোনও এক ধরনের বাদামে অ্যালার্জি থাকা মানেই অন্য বাদামেও অ্যালার্জি হবে এমনটা নাও হতে পারে।

শেল ফিশ: এই এলার্জি খুবই কমন। চিংড়ি, কাঁকড়া, ওয়েস্টার, শামুক জাতীয় খাবার যার শক্ত খোল রয়েছে তার থেকেই অ্যালার্জি হয় বিশ্বের প্রায় ৬০% মানুষের।

চিনা বাদাম: শিশুদের মধ্যে প্রায়ই চিনা বাদামে এলার্জি দেখা যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্কুল গুলোতে ১৯৯৭-২০০৮ সাল পর্যন্ত চিনা বাদাম নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

ইলিশ মাছ: ইলিশ মাছ একটি এলার্জি জাতীয় খাবার । তাই ইলিশ মাছ খেলে অনেকের এলার্জি দেখা দিতে পারে ।

বোয়াল মাছ: বোয়াল মাছেও এলার্জি রয়েছে । তাই এলার্জি আক্রন্ত রোগির বোয়াল মাছ এড়িয়ে চলা উচিত ।

সালফাইট: খাবারের রং নষ্ট হয়ে যাওয়া, বা বাদামি রং ধরাতে অনেক খাবারে সালফাইট ব্যবহার করা হয়। এই সালফাইট থেকে অনেকের অ্যালার্জি হয়।

উপরে উল্লেখিত এলার্জি জাতীয় খাবার সমূহ এড়িয়ে চললে এলার্জি থেকে মুক্ত থাকা যাবে বলে আশা করা যায় ।

ট্যাগ গুলো

মতামত যোগ করুন

মতামত দিতে ক্লিক করুন

error: দুঃখিত, অনুলিপি করা যাবে না ! পরে এই কন্টেন্ট প্রয়োজন হলে আপনার সামাজিক অ্যাকাউন্টের সাথে ভাগ করুন।