ছবি - ভান্ডার

তুতেনখামেনের কফিন

তুতেনখামেনের কফিন

প্রাচীনকালে মিশরে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান অর্থ্যৎ রাজা বা ফারাওদের এবং খুব উচু পর্যায়ের ব্যাক্তিদের মৃতদেহ মমি বানিয়ে পিরামিডের ভিতরে গোপন কোন স্থানে লুকিয়ে রাখা হতো ।
পরবর্তিতে এরকম অনেক মমি খুজে পাওয়া গিয়েছে অক্ষত অবস্থায় ।

সেইরকমই খুজে পাওয়া একটি মমি হলো প্রাচীন মিশরের কিশোর ফারাও তুতেনখামেনের মমি । তুতেনখামেন খুব অল্প বয়সেই সিংহাসনে আরোহন করেন এবং অল্প বয়সেই রোগাক্রান্ত হয়ে মারা যান ।

মৃত্যুর পর তার মৃতদেহটি মমি বানিয়ে প্রচুর পরিমান ধনসম্পদ, হীরা, মুক্তা, স্বর্ন সহ পিরামিডের ভেতরে গোপন এক স্থানে সমাধিস্ত করা হয় । কারন প্রাচীনকালে মিশরিয়রা মৃত্যুর পরবর্তি জীবনে বিশ্বাস করতো । তাই মৃত্যুর পরও যেন তাদের রাজা সুখে সাচ্ছন্দে জীবন কাটাতে পারে সেজন্য মৃতদেহের সাথে প্রচুর সম্পদ দিয়ে দেয়া হতো ।
পরবর্তিতে একটি পিরামিডের ভিতরে তার মমিটি খুজে পাওয়া যায় ।

ধারনা করা হয় যে তুতেনখামেনের মমিটি একটি অভিশপ্ত মমি । কারন এই মমিটির উদ্ধারকারী দলে যারা ছিলো তারা প্রায় সবাইই বিভিন্ন দূর্ঘটনায় এবং অসুস্থ হয়ে মারা যায় ।
ছবিটিতে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন মিশরের আলোচিত কিশোর ফারাও তুতেনখামেনের কফিন পরিক্ষা করে দেখছেন হাওয়ার্ড কার্টার ।

মতামত যোগ করুন

মতামত দিতে ক্লিক করুন

error: দুঃখিত, অনুলিপি করা যাবে না ! পরে এই কন্টেন্ট প্রয়োজন হলে আপনার সামাজিক অ্যাকাউন্টের সাথে ভাগ করুন।