নিবন্ধ

নতুন ব্যবসার আইডিয়া (যা আগে কখনও ভেবে দেখেননি)

রপ্তানি-যোগ্য-ব্যবসা-নতুন-ব্যবসার-আইডিয়া

নতুন ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে কাজ করার জন্য সব উদ্যোক্তার মাঝেই বাড়তি আগ্রহ থাকে। এখানে আমরা এমন কিছু নতুন ব্যবসায়িক আইডিয়া আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি যেগুলো নিয়ে সাধারনত কেউ আলোচনা করেনা । এসব ব্যবসাতে প্রতিযোগিতাও অনেক কম। নতুন ধরনের ব্যবসাতে প্রতিযোগিতা কম থাকে বলে সফলতা পাওয়া সহজ হয়। আমি এমন কিছু নতুন ব্যবসায়িক আইডিয়া এখানে তুলে ধরেছি যা কাজে লাগিয়ে আপনি দ্রুত সফলতা পেতে পারেন ।

রপ্তানি যোগ্য \ নতুন ব্যবসার আইডিয়া :

* খেলনা তৈরি : বিভিন্ন ধরনের আকর্ষনীয় খেলনা তৈরি এবং সেগুলো বিক্রি করা পৃথীবির অন্যতম বড় একটি ব্যবসা । প্রতিবছর সারা বিশ্বে কয়েক ট্রিলিয়ন ডলারের খেলনা বানিজ্য হয়। প্রতি বছর আমাদের দেশেই কয়েক হাজার কোটি টাকার খেলনা আমদানি করা হয় । আমাদের দেশে বেশিরভাগ খেলনাই মূলত চীন থেকে আমদানি করা হয় । শুধু খেলনা বিক্রি করেই আমাদের দেশ থেকে হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে চীন । অথচ আমরা এই বিশাল বড় বাজারটির কথা চিন্তা করছি না । সাহসি উদ্যোক্তারা চাইলে খেলনা তৈরির ব্যবসা করতে পারেন । যদি আমাদের দেশের অভ্যন্তরিন বাজারের ছোট একটা অংশও ধরতে পারেন তাহলেও আপনি প্রচুর লাভ করতে পারবেন । আর যদি দেশের পাশাপাশি বিদেশেও দুই-একটি দেশে আপনার বানানো খেলনা রপ্তানি করতে পারেন তাহলে জীবন পাল্টাতে বেশি সময় লাগবেনা ।

* এক্যুরিয়ামের জন্য আমাদের দেশিয় মাছ রপ্তানি : আমাদের দেশে এক্যুরিয়ামের জন্য আমরা যেমন গোল্ড ফিশ বা বিভিন্ন বিদেশি মাছ খুজে থাকি তেমনি বিদেশিরাও তাদের এক্যুরিয়ামে পালনের জন্য অন্য দেশের মাছ খুজে থাকে । তাই বিদেশিদের এই চাহিদার কথা মাথায় রেখে আমরা চাইলে আমাদের দেশের বিভিন্ন ছোট মাছ রপ্তানি করতে পারি (যেমন- টেংরা, খলসে, পুটি ইত্যাদি)। বিদেশিরা জীবনে এসব মাছ দেখেনি তাই তাদের কাছে এই মাছ গুলো বাড়তি আগ্রহ তৈরি করবে।

* পাটের কার্পেট ও স্কুল ব্যাগ, জায়নামাজ তৈরি : এই ব্যবসাটি চাইলে সহজেই করা যায় । আমাদের দেশেই এসবের পর্যাপ্ত কাচামাল পাওয়া যায় । আর তৈরি করাও খুব কঠিন কিছু নয় । অথচ তবুও আমরা এই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছিনা । বিদেশ থেকে স্কুলব্যাগ, জায়নামাজ, কার্পেট আমদানি করি আমরা কিন্তু দেশেই একটু ভালো মানসম্পন্ন স্কুলব্যাগ, জায়নামাজ এবং কার্পেট তৈরি করে বিক্রি করতে পারলে প্রচুর লাভ করা সম্ভব ।

* মোবাইলের চার্জার, হেডফোন, কেসিং, কভার তৈরি : মোবাইলের চার্জার, হেডফোন, কেসিং, কভার ইত্যাদি পন্যের রয়েছে প্রচুর চাহিদা । এসব পন্য তৈরি করে বাজার ধরতে পারলে সফলতা নিশ্চিত ।

মোবাইলের চার্জার, হেডফোন, কভার ও কেসিংয়ের চাহিদা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই । এসব পন্যের কতটা চাহিদা তা আমরা সবাই জানি । দুই-একটি প্রতিষ্ঠান দেশে স্বল্প পরিসরে এসব তৈরি করলেও এখনও বেশিরভাগই আমদানি করা হয় । তাই এই ব্যবসা করে কোটি টাকা আয় করা কঠিন কিছুনা যদি বাজার ধরতে পারেন ।

* মাল্টিপ্লাগ তৈরি : প্রতিটি বাড়িতে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এবং কারখানায় মাল্টিপ্লাগ প্রয়োজন হয় । মাল্টিপ্লাগকে একটি নিত্যপ্রয়োজনিয় পন্যও বলা যায় । অথচ আমাদের দেশে এসব পন্য সাধারনত চীন থেকে আমদানি করা হয় । দেশেই কম খরচে মোটামুটি মান ধরে রেখে এসব পন্য তৈরি করলে প্রচুর পরিমান আয়ের সম্ভবনা রয়েছে ।

* টর্চ লাইট/চার্জার লাইট তৈরি : সারা দুনিয়ার মতো আমাদের দেশেও টর্চ লাইট এবং চার্জার লাইটের ব্যপক চাহিদা রয়েছে । এগুলো বেশিরভাগই চীন থেকে আমদানি করা হয় । এই সেক্টরে ব্যবসা করেও প্রচুর লাভ করা সম্ভব।

* কম্পিউটারের মাউস, কিবোর্ড তৈরি : আমাদের দেশে কম্পিউটারের প্রায় সকল যন্ত্রাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। কম্পিউটারের বেশিরভাগ যন্ত্রাংশ তৈরি করতেই উচ্চ প্রযুক্তি ও কারিগরি জ্ঞান লাগলেও মাউস ও কিবোর্ড তৈরি অনেক সহজ এবং পুজিও কম লাগবে । আর সব কম্পিউটারেই মাউস এবং কিবোর্ড লাগবেই তাই এই দুইটি পন্যের চাহিদা অনেক । আপনি হয়তো চাইলেই ডেল, এইচপি বা লিনেভোর মতো কম্পিউটার বা ল্যাপটপ তৈরির কারখানা চালু করতে পারবেননা কিন্তু মাউস বা কিবোর্ড সহজেই তৈরি করতে পারবেন ।

* গহনা তৈরি : সারা পৃথিবীতে গহনা ব্যবসা অন্যতম লাভজনক একটি ব্যবসা । মুলত মেয়েরাই গহনার প্রধান ক্রেতা । বিভিন্ন আকর্ষনিয় গহনা তৈরি করে দেশে বিদেশে সেগুলো বিক্রির মাধ্যমে প্রচুর আয় করা সম্ভব ।

* রেইন কোর্ট তৈরি : বর্ষাকালে ছাতার পাশাপাশি রেইন কোর্টের ব্যপক চাহিদা রয়েছে । রেইন কোর্ট তৈরি করেও ভালো আয় করা সম্ভব।

* স্কচটেপ তৈরি: স্কচটেপ বিভিন্ন কাজে প্রয়োজন হয় । স্কচটেপ তৈরি করে ভালো পরিমান আয় করা সম্ভব । আমাদের দেশে এগুলো তৈরি হয়না বলেই জানি । সুতরাং কম খরচে তৈরি করতে পারলে বাজার ধরা খুবই সহজ হবে ।

* গরুর নাড়িভুরি রপ্তানি : চীন সহ বেশ কয়েকটি দেশে গরুর নাড়িভূরির বেশ চাহিদা রয়েছে । ভালো দামও পাওয়া যায় । এটিও আপনার জন্য একটি লাভজনক ব্যবসা হতে পারে । এই বিষয়ে ইন্টারনেটে খুজলেই আরো বিস্তারিত তথ্য পাবেন ।

* শোপিছ রপ্তানি: উপহার দেয়ার জন্য বা সাজিয়ে রাখার জন্য আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের শোপিছ আইটেম কিনে থাকি । বিভিন্ন ধরনের আনকমন আইটেমের সুন্দর শোপিছ তৈরি করে ভালো আয় করা সম্ভব । শোপিছ ক্রেতার পছন্দ হলে তারা এটি বেশি দাম দিয়ে কিনতেও দ্বিধাবোধ করেনা ।

* পাটখড়ির ছাই/ চারকোল রপ্তানি : বিভিন্ন মেকআপ আইটেম, ফেসওয়াস সহ নানা কিছু তৈরিতে পাটখড়ির ছাই একটি গুরুত্বপূর্ন উপকরন । বাংলাদেশ থেকে বেশ কিছু ব্যবসায়ি এই পন্যটি বিদেশে রপ্তানি করে ভালো আয় করছেন । আপনিও চেষ্টা করে দেখতে পারেন ।

* হাংগর(shark) বা স্কুইড রপ্তানি : আমরা না খেলেও আমাদের দেশ থেকে প্রচুর পরিমান হাংগর, স্কুইড সহ অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ, কাকড়া ইত্যাদি চীন, জাপান, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড সহ অন্যান্য দেশে রপ্তানি হচ্ছে । এই ব্যবসায়ও প্রচুর লাভ।

* বিদেশি প্রতিষ্ঠানের জন্য কল সেন্টার : বিভিন্ন বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাস্টমার কেয়ার/কল সেন্টার তৈরি করে চুক্তিতে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে ভালো আয় করা সম্ভব। এই ব্যবসাটি বিভিন্ন দেশে পুরানো হলেও আমাদের দেশে নতুন । অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান আমাদের দেশে এধরনের ব্যবসা পরিচালনা করছে ।

* স্ট্রাটেজিক গেম তৈরি ও রপ্তানি : সারা পৃথিবীতে মোবাইল এবং কম্পিউটার গেমসের আকাশচুম্বি চাহিদার কথা আমরা সবাই জানি । মাত্র অল্প কয়েকটি প্রতিষ্ঠান মানসম্পন্ন গেম তৈরির সাথে জড়িত । তাই ভালো মানের গেম তৈরি করতে পারলে সফলতা সুনিশ্চিত ।

* হোস্টিং ব্যবসা : হোস্টিং ব্যবসা একটি দ্রুত বিকাশমান এবং লাভজনক ব্যবসা । এর মাধ্যমে প্রচুর পরিমান লাভ করা সম্ভব । তবে এই ব্যবসার জন্য তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ ও পারদর্শী হতে হবে যেন যে কোন সমস্যায় ওয়েবসাইট মালিকদের দ্রুত সেবা দেয়া সম্ভব হয় ।

* কাকড়া এবং ব্যাঙ রপ্তানি : কাকড়া, ব্যাঙ চাষ করে সেগুলো রপ্তানি করেও প্রচুর আয় করা সম্ভব । বিভিন্ন দেশে এগুলোর প্রচুর চাহিদা রয়েছে ।

* ঝিনুকের মুক্তা রপ্তানি : মুক্তা দিয়ে বিভিন্ন দামি গহনা তৈরি হয় । মুক্তা দিয়ে তৈরি মালা ও গহনার দামও অনেক । ঝিনুকের থেকে ভাগ্যক্রমে মুক্তা পেলে সেগুলো দিয়ে গহনা তৈরির দিন আর এখন নেই । এখন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরন করে পুকুরেই ঝিনুক চাষ করে সেগুলো থেকে মুক্তা উৎপাদন করে সেই মুক্তা বিক্রি করে প্রচুর আয় করা সম্ভব ।

* জ্যামিতি বক্স তৈরি করে দেশে বিদেশে বিক্রি : জ্যামিতি বক্স ও এর সাথের বিভিন্ন আনুসাঙ্গিক জিনসপত্রের চাহিদা সারা পৃথিবীতেই আকাশচুম্বি। সকল ছাত্র-ছাত্রীদেরই এই শিক্ষা উপকরনটি প্রয়োজন হয় । আমাদের দেশে জ্যামিতি বক্স বিদেশ থেকে আমদানি করা হয় । এত বিরাট একটি ব্যবসার সুযোগ অথচ আমরা এই সেক্টর নিয়ে কোন চেষ্টাই করছিনা । এই সেক্টরটিতে ব্যবসা করে কোটি টাকা আয় করা সম্ভব।

* সানগ্লাস তৈরি : চোখের যত্নে এবং স্টাইলের জন্য সানগ্লাসের ব্যবহার ব্যপক । সানগ্লাস তৈরির এই ব্যবসাটি হতে পারে যে কোন বুদ্ধিমান ব্যবসায়ির প্রথম পছন্দ।

* সাইকেল বা মোটর সাইকেলের চেইন, বসার সিট, বা বিভিন্ন পার্টস তৈরি করে রপ্তানি : সাইকেল ও মোটর সাইকেলের বিভিন্ন ছোট খাটো যন্ত্রাংশ তৈরি এবং দেশব্যাপি সেগুলোর বাজারজাত করে দারুন ব্যবসায়িক সফলতা পাওয়া সম্ভব ।

* ওজন মাপার যন্ত্র : কারখানা, ফলের দোকান বা মুদি দোকান সহ সব জায়গাতেই ওজন মাপার যন্ত্রের ব্যপক চাহিদা রয়েছে । দেশে দুই একটি প্রতিষ্ঠান স্বল্প পরিসরে এগুলো উৎপাদন করছে । তবে বেশিরভাগই আমদানি করা হয় । ওজন মাপার যন্ত্র তৈরি করে বিক্রি করলে ভালো লাভবান হতে পারবেন ।

* হুইল চেয়ার তৈরি : অসুস্থ বা প্রতিবন্ধি ব্যক্তিদের জন্য হুইল চেয়ার একটি প্রয়োজনিয় জিনিস । কম খরচে হুইল চেয়ার তৈরি করে বিক্রি করে ভালো আয় করা সম্ভব । আর এটি তৈরি করাও সহজ ।

* ব্যাটারি চালিত বা পায়ে চালিত রিক্সা তৈরি করে রপ্তানি : আমাদের দেশে স্বল্প দুরুত্বে যাত্রী পরিবহনের জন্য রিক্সা ও ইজিবাইকের (যেটাকে আমরা অটো বলে ডেকে থাকি) প্রচুর চাহিদা রয়েছে । প্রতিবছর দেশে হাজার হাজার ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক চীন থেকে আমদানি করা হচ্ছে । অথচ এগুলো খুব একটা আহামরি মান সম্পন্ন নয় । আর এগুলো এমন কঠিন কিছু নয় যে দেশে তৈরি করা যাবেনা । দেশেই ছোট খাটো কারখানা তৈরি করে কম খরচে মজবুত ও দেখতে সুন্দর ইজিবাইক ও রিক্সা তৈরি করে বিক্রি করলে কোটি কোটি টাকা আয় করা সম্ভব ।

* মটর সাইকেলের হেলমেট তৈরি : মটর সাইকেলের হেলমেট তৈরির ব্যবসাটি একটি দুর্দান্ত ব্যবসা । আমাদের দেশে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ পিস হেলমেট বিক্রি হয় । অথচ এত বিশাল চাহিদা থাকার পরও এই ব্যবসা পুরোটাই আমদানি নির্ভর । সুতরাং এই ব্যবসায় কত বড় সুযোগ অপেক্ষা করছে তা বুঝতেই পারছেন । বাজারে সাধারনত ১ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৪ হাজার টাকা দামের পর্যন্ত হেলমেট পাওয়া যায় । অথচ এগুলো তৈরিতে খরচ হয় ৫০০-১৫০০ টাকার মতো । তাই ভালো মানের হেলমেট কম খরচে তৈরি করে দেশে বিক্রির পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি করার সুযোগ আছে ।

* আগরবাতি, আতর এবং পারফিউম উৎপাদন করে রপ্তানি : বিভিন্ন স্বাস্থ্যসম্মত সুগন্ধি উপকরন তৈরি করে দেশে বিদেশে সেগুলো বিক্রির মাধ্যমে প্রচুর আয় করা সম্ভব ।

* পার্টি স্প্রে তৈরি করে রপ্তানি : জন্মদিন, বিয়ে বা বিভিন্ন আনন্দ উৎসবে বর্তমানে অনেকেই পার্টি স্প্রে ব্যবহার করে থাকেন । এর চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে । এই পার্টি স্প্রে তৈরি করার ব্যবসা নিয়েও ভেবে দেখতে পারেন ।

* টেবিল ল্যাম্প তৈরি : টেবিল ল্যাম্পের যেমন প্রচুর চাহিদা রয়েছে আবার এটি তৈরি করাও সহজ এবং দামও পাওয়া যায় ভালো । আমরা মূলত চীন থেকে এগুলো আমদানি করে থাকি । অথচ এগুলো সহজেই নিজেরাই তৈরি করে ভালো আয় করা সম্ভব ।

*স্টেশনারি পন্য রপ্তানি : স্টেশনারি পন্য তৈরির ব্যবসা হতে পারে উপরে উঠার সহজ রাস্তা । মূলত আমদানি নির্ভর এই সেক্টরটির কিছু পন্য কম খরচে উৎপাদন করতে পারলে পিছনে ফিরে তাকাতে হবেনা |

                  আমাদের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগ – 01848272767

* ভায়া বা লাইফ জ্যাকেট তৈরি করে রপ্তানি ।
* ক্যাম্পিং এর জন্য তাবু তৈরি ।
* প্রিন্টারের জন্য কালি/টোনার তৈরি ।
* ফ্রজেন চিকেন, সামুচা ও সিংগারা বিক্রি ।
* ঘড়ি তৈরি ।
* গ্লাস ক্লিনার ।
* সামুদ্রিক মাছ রপ্তানি ।
* জিম এক্সেসারিজ : ব্যয়াম করার জন্য বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি দরকার হয় । এসব যন্ত্রপাতি প্রায় ১০০% ই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয় । দেশে এসব যন্ত্রপাতি কম খরচে তৈরি করে বিক্রি করা গেলে ভালো লাভ করা সম্ভব ।

এখানে যেসব আইডিয়া তুলে ধরা হয়েছে সেগুলো সবই রপ্তানি যোগ্য এবং তার মধ্যে অনেকগুলোই অল্প পুজিতেই শুরু করা সম্ভব । অল্প পুজির ব্যবসায়িক ধারনা নিয়ে আমাদের একটি লেখা পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।

আমি এই লেখায় আপনাদের জন্য মূলত শুধু নতুন ব্যবসার আইডিয়া সমূহ তুলে ধরেছি । এতগুলো ব্যবসার বিষয়ে এখানে বিস্তারিত আলোচনা করা সম্ভব নয় । তবে আপনি চাইলে আপনার পছন্দের ব্যবসার বিষয়ে ইন্টারনেটে সার্চ করলে আরো বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন । আমাদের লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করে উৎসাহ দেয়ার অনুরোধ রইলো আর নিয়মিত বিভিন্ন তথ্যবহুল লেখা ও সংবাদ পাঠ করতে আমাদের ওয়েবসাইটে ভ্রমন করার আমন্ত্রন রইলো ।

ট্যাগ গুলো
error: দুঃখিত, অনুলিপি করা যাবে না ! পরে এই কন্টেন্ট প্রয়োজন হলে আপনার সামাজিক অ্যাকাউন্টের সাথে ভাগ করুন।