বাংলা সংবাদ

মিশর ও তুরুস্ক হতে জরুরী ভিত্তিতে ৪ লাখ কেজি পেয়াজ এসে পৌছেছে চট্টগ্রাম বন্দরে

চট্টগ্রাম বন্দর

মিশর ও তুরুস্ক হতে জরুরী ভিত্তিতে ৪ লাখ কেজি পেয়াজ আমদানি, জাহাজ এসে পৌছেছে চট্টগ্রাম বন্দরে |

বাংলাদেশে পেয়াজের উৎপাদন খুবই কম হয়ে থাকে। তাই সবসময় পেয়াজ আমদানির উপর নির্ভর করতে হয়। আর তাই আমদানি কারকদেশে দাম বাড়লে বাংলাদেশকেও বেশি টাকা দিয়ে পেয়াজ কিনতে হয়। আর বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকেই সবচেয়ে বেশি পেয়াজ কিনে থাকে।

তবে এবার ভারতে বেশ কিছু রাজ্যে বন্যার কারনে বেশ কিছুদিন আগে থেকেই পেয়াজের দাম বাড়তি ছিলো। ফলে বাংলাদেশেও বাড়ছিলো পেয়াজের দাম।

তবে মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দাড়িয়েছে ভারতের পিয়াজ রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত । অতিরিক্ত বন্যার কারনে ভারতের পাইকারি বাজারগুলোতে পেয়াজের দাম বাড়তে বাড়তে ৭০-৮০ রুপি হয়ে যাওয়ার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রতিবেশি সকল দেশে পেয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত। আর এতেই হুট করে বেড়ে যায় পেয়াজের দাম। বাংলাদেশের বাজারগুলোতে এখন পেয়াজের দাম গিয়ে ঠেকেছে ১০০ টাকায়! দাম আরো বাড়তে পারে।

এমন অবস্থায় বিকল্প পথ খুজছে সরকার ও ব্যবসায়িরা। দাম বৃদ্ধি ঠেকাতে ইতিমধ্যে মায়ানমার থেকে অল্প কিছু পেয়াজ কেনা হয়েছে। এরপর এবার মিশর ও তুরস্ক থেকে জরুরী ভিত্তিতে ৪ লাখ কেজি পিয়াজ আমদানি করা হয়েছে । পেয়াজ বহনকারি জাহাজগুলো ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌছেছে বলে জানা গেছে। তবে মাত্র ৪ লাখ কেজি পিয়াজ দিয়ে বাংলাদেশের মতো বিরাট জনসংখ্যার দেশে পরিস্থিতি সামাল দেয়া সম্ভব নয় বলে ধারনা করা হচ্ছে।

ভারতে পেয়াজের দাম না কমা পর্যন্ত অন্যদেশ থেকে পেয়াজ আমদানি চালিয়ে যেতে হবে। তবে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, এত দুরের দেশ থেকে পেয়াজ আমদানি করে তেমন লাভ হবেনা। কারন ঐসব দেশেও পেয়াজের দাম সাশ্রয়ি নয়। পাশাপাশি জাহাজ ভাড়া সহ অন্যান্য খরচ মিলিয়ে দাম বেশিই থাকবে। ভবিষ্যৎতে এমন পরিস্থিতিতে পড়তে না চাইলে দেশেই পেয়াজের উৎপাদন বাড়াতে হবে।

ট্যাগ গুলো

মতামত যোগ করুন

মতামত দিতে ক্লিক করুন

error: দুঃখিত, অনুলিপি করা যাবে না ! পরে এই কন্টেন্ট প্রয়োজন হলে আপনার সামাজিক অ্যাকাউন্টের সাথে ভাগ করুন।