ছবি - ভান্ডার

মুক্তিযুদ্ধে নারী নির্যাতনের ছবি

এখানে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকার আলবদরদের দ্বারা নির্যাতিত নারীদের কয়েকটি ছবি তুলে ধরা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে নারী নির্যাতনের ছবি গুলো মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতা প্রকাশ করে, হানাদার বাহিনী কতটা বর্বর ছিলো সেটিও বোঝা যায়। সাধারন বিবেচনায় এখানে তুলে ধরা মুক্তিযুদ্ধে নারী নির্যাতনের ছবি গুলো কিছুটা দৃষ্টিকটু মনে হতে পারে তবে তখনকার পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ ছিলো সেই সত্যটা তুলে ধরার জন্যই ছবিগুলো প্রকাশ করা হলো।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে নারী নির্যাতনের ছবি

১৯৭১ সালে পাকবাহিনীর গনধর্ষনের পর ফেলে রেখে যাওয়া এক মূমূর্ষ নারী
১৯৭১ সালে পাকবাহিনীর গনধর্ষনের পর ফেলে রেখে যাওয়া এক মূমূর্ষ নারীকে উদ্ধার করে নিয়ে যাচ্ছে পরিবারের এক সদস্য

১৯৭১ সালে পাকবাহিনীর গনধর্ষনের পর ফেলে রেখে যাওয়া এক মূমূর্ষ নারীকে উদ্ধার করে নিয়ে যাচ্ছে পরিবারের এক সদস্য

গায়ে শাড়ি নেই, শুধু ছায়া আর ব্লাউজ কোনরকম ঝুলে আছে, ব্লাউজের বোতামগুলো খোলা। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় হানাদার বাহিনী ধর্ষনের পর হত্যা করে রাস্তায় ফেলে যাওয়া এক হতভাগ্য নারীর লাশ এভাবেই পরে আছে রাস্তায়।

গায়ে শাড়ি নেই, শুধু ছায়া আর ব্লাউজ কোনরকম ঝুলে আছে, ব্লাউজের বোতামগুলো খোলা। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় হানাদার বাহিনী ধর্ষনের পর হত্যা করে রাস্তায় ফেলে যাওয়া এক হতভাগ্য নারীর লাশ এভাবেই পরে আছে রাস্তায়।

এক হতভাগ্য নারী

এক হতভাগ্য নারী

পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পায়নি বৃদ্ধারাও। ধর্ষনের পর হত্যা করা হয় তাকে।

পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পায়নি বৃদ্ধারাও। ধর্ষনের পর হত্যা করা হয় তাকে।

মুক্তিযুদ্ধে নারী নির্যাতনের ছবি | রক্ষা পায়নি গৃহবধূরাও। ধর্ষনের পর হত্যা করে এভাবেই উলংগ অবস্থায় লাশ ফেলে রেখে চলে যায় পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের এদেশীয় কিছু চামচা।

রক্ষা পায়নি গৃহবধূরাও।
ধর্ষনের পর হত্যা করে এভাবেই উলংগ অবস্থায় লাশ ফেলে রেখে চলে যায় পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের এদেশীয় কিছু চামচা।

এটি এক হিন্দু ধর্মাবলম্বি মহিলার লাশ। গনধর্ষনের পর তাকে হত্যা করে ফেলে যায় হানাদার বাহিনী ও তাদের সংগি রাজাকার, আল-বদররা।

এটি এক হিন্দু ধর্মাবলম্বি মহিলার লাশ। গনধর্ষনের পর তাকে হত্যা করে ফেলে যায় হানাদার বাহিনী ও তাদের সংগি রাজাকার, আল-বদররা।

মুক্তিযুদ্ধে নারী নির্যাতনের ছবি | ধর্ষিত আরেক হতভাগ্য নারীর লাশ। গনধর্ষনের পর হত্যা করে এভাবেই লাশ ফেলে রেখে যায় হানাদাররা।

ধর্ষিত আরেক হতভাগ্য নারীর লাশ। গনধর্ষনের পর হত্যা করে এভাবেই লাশ ফেলে রেখে যায় হানাদাররা।

কি দোষ ছিলো এসব হতভাগ্য নারীদের? কেন তাদের সাথে এমন পৈশাচিকতা?
দেশে কোন অন্যায় অপরাধ হলে সরকারের দায়িত্ব সেগুলোর প্রতিকার করা, অন্যায় বন্ধ করা। কিন্তু তৎকালীন পাকিস্তান সরকার উল্টো এভাবেই নিজ দেশের নাগরিকদের উপর নৃশংশতা চালিয়েছিলো। এসব ঘটনা দেখলেই বোঝা যায় মুক্তিযুদ্ধ কোন ভূল সিদ্ধান্ত ছিলোনা। এতটা নীচু মানসিকতার পাকিস্তানি শাষকদের অধীনে এদেশের মানুষের থাকা সম্ভব ছিলোনা। অত্যাচার নির্যাতনে বাধ্য হয়েই এদেশের মানুষ স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধের পথ বেছে নিয়েছিলো।

আপনি চাইলে এই নিবন্ধটিও পড়তে পারেন: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি – ৩০ লাখ নিহত নাকি ৩ লাখ নিহত, কোনটি সত্য?

আর এখানে মাত্র সামান্য কয়েকটি মুক্তিযুদ্ধে নারী নির্যাতনের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। তখনতো হতে হাতে মোবাইল ছিলোনা, ক্যামেরাও ছিলোনা। বিদেশি সাংবাদিকদেরও দেশে প্রবেশে নিষেদ্ধাজ্ঞা ছিলো। যে এলাকায় পাকিস্তানি বাহিনী অভিযান চালাতো সেই এলাকায় সাংবাদিক প্রবেশের কোন সুযোগ ছিলোনা। তবুও অনেক চেষ্টায় লুকিয়ে লুকিয়ে বা কৌশলে কিছু ঘটনার ছবি তোলা সক্ষম হয়েছিলো। আরো হাজারো ঘটনাতো অজানাই থেকে গেছে, যেগুলোর কোন প্রমান নেই, ছবি নেই।

মতামত যোগ করুন

মতামত দিতে ক্লিক করুন

error: দুঃখিত, অনুলিপি করা যাবে না ! পরে এই কন্টেন্ট প্রয়োজন হলে আপনার সামাজিক অ্যাকাউন্টের সাথে ভাগ করুন।