নিবন্ধ

শক্তিশালী দেশ তৈরির ১০ টি টিপস (রাষ্ট্রপ্রধানদের জন্য)

শক্তিশালী দেশ তৈরির ১০ টি টিপস (রাষ্ট্রপ্রধান দের জন্য)

– খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্নতা অর্জন । অন্তত দেশের প্রধান কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ন হতে হবে ।

– জ্বালানি খাতে আত্বনির্ভরশীল হওয়া । এজন্য জ্বালানি সাশ্রয়ি প্রযুক্তি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করতে হবে ।

– উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা ও ভালো মানসম্পন্ন ঔষুধ তৈরি । দেশের মানুষের যেন চিকিৎসা ও ঔষুধের জন্য অন্য দেশে দৌড়াতে না হয় সেই ব্যবস্থা করতে হবে ।

– আমদানি নির্ভরতা কমানো । কিছু কিছু জিনিসতো আমদানি করতেই হবে । তবে নিত্যপ্রয়োজনিয় পন্য এবং দরকারি জিনিসপত্রের জন্য আমদানির উপর নির্ভর করলে চলবেনা ।

– দেশের যে কোন প্রান্তে দ্রুত যাতায়াতের জন্য অন্তত দুইটি ব্যবস্থা চালু রাখা । সড়কপথ, নৌপথ, রেলপথ ও বিমানপথের মধ্যে অন্তত দুইটি দ্রুতগতির যাতায়াত ব্যবস্থা সবসময় সচল রাখতে হবে । যেন একটিতে সমস্যা হলে অন্যটি দিয়ে কাজ চালানো যায় ।

– অথর্নৈতিক উন্নতি । উপরের পয়েন্টগুলো ঠিক থাকলে এমনিতেই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়ে যাবে । তারপরও বিশেষ ভাবে দুইটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে । * দেশীয় উদ্যোগগুলো যেন লাভজনক হয় সেই ব্যবস্থা করতে হবে * অর্থ যেন বিদেশে পাচার হয়ে না যায় সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে ।

– কাছাকাছি যে কোনো একটি দেশের সাথে হালকা বৈরিতা বজায় রাখা । যেন সেই দেশের সাথে মাঝে মধ্যে কিছুটা উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করা যায় । এতে করে মনে তেজ আসবে এবং পাশাপাশি প্রতিযোগিতায় তাদের চাইতে এগিয়ে থাকার আগ্রহ তৈরি হবে ।

– কাছাকাছি অন্য যে কোনো একটি বা দুইটি দেশের সাথে ভালো বানিজ্যিক/অথর্নৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা । তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের আমদানি করা এবং তাদের খুব প্রয়োজনিয় কিছু অন্যদের চাইতে অনেকখানি কম মূল্যে রপ্তানি করা । এতে করে তাদের সাথে একটি ভালো সম্পর্ক তৈরি হবে এবং তারা তাদের লাভের জন্যই আমাদের পক্ষে কথা বলবে এবং হয়তো বিপদের সময় টুকটাক সহযোগিতাও করতে পারে ।

– সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা । দেশের সম্পূর্ন সিমান্ত নজরদারির ভেতরে থাকতে হবে । বাইরের কোনো লোক যেন অনুমতি ছাড়া দেশে ঢুকতে না পারে এবং দেশের কোন লোক যেন অনুমতি ছাড়া বের হতে না পারে সেই ব্যবস্থা থাকতে হবে । সিমান্তে ৮-১০ কি.মি. পর পর ক্যাম্প থাকতে হবে । কোনো ক্যাম্প আক্রান্ত হলে যেন আধাঘন্টার মধ্যে অন্য ক্যাম্পের সৈন্যরা সেখানে পৌছাতে পারে সেই ব্যবস্থা থাকতে হবে ।

১০– তিন বাহিনীর জন্য অন্তত তিনটি কৌশলগত অস্ত্র নিজ দেশেই তৈরি করা এবং সেগুলো যেন অবশ্যই ভালো মানের হয় তা নিশ্চিত করা । হতে পারে সেটি SAM বা ড্রোন বা টর্পেডো বা সাবমেরিন বা আর্টিলারি বা স্নাইপার রাইফেল । যেটিই হোকনা কেন, প্রতিটি বাহিনীর জন্য প্রয়োজন অনুযায়ি অন্তত ১টি করে কৌশলগত অস্ত্র নিজ দেশেই বানাতে হবে পর্যাপ্ত সংখ্যক এবং অবশ্যই সেটি ভালো মানের হতে হবে ।

আপনি যদি কখনো যে কোনো দেশের রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রি হওয়ার সুযোগ পান তাহলে মাত্র এই ১০টি টিপস মেনে চললেই আপনার দেশকে একটি অত্যান্ত শক্তিশালী দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন ।

ট্যাগ গুলো
error: দুঃখিত, অনুলিপি করা যাবে না ! পরে এই কন্টেন্ট প্রয়োজন হলে আপনার সামাজিক অ্যাকাউন্টের সাথে ভাগ করুন।