নিবন্ধ

সরকারি চাকরি করার আশা ছাড়ুন

সরকারি চাকরি যেন সোনার হরিন । অন্তত আমাদের বাংলাদেশ এর মানুষের ধারনা কিছুটা এমনই । কিন্তু বেসরকারি চাকরি বা আত্বকর্মসংস্থানের মাধ্যমেও আমাদের চারপাশে হাজার হাজার মানুষ দিব্যি ভালো আছে, ভালো ভবিষ্যৎও গড়ে তুলছে । তাহলে সরকারি চাকরির পেছনে ঘুরে ঘুরে সময়, মেধা ও অর্থ নষ্ট করার কারনটা কি ? কেন আমরা মনে করি সরকারি চাকরি না পেলে জীবনটাই বৃথা, ভালো ভবিষ্যৎ হবেনা ইত্যাদি, ইত্যাদি ? কেন ঘুস দিয়ে হলেও সরকারি চাকরি পেতেই হবে ?

আসলে কারনটা অন্য জায়গায় । আর মূল কারন হলো অযোগ্যতা । যারা অযোগ্য, অপদার্থ, অলস, অকর্মন্য তারাই মনে করে সরকারি চাকরি না পেলে জীবন বৃথা হয়ে যাবে । এই অযোগ্য, অপদার্থ শ্রেনীর লোকেরাই যেভাবেই হোক, লাখ টাকা ঘুস দিয়ে হলেও একটি সরকারি চাকরি পেতে চায় ।

কারন অন্য কিছু করার যোগ্যতা তার মাঝে নেই । কোন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হয়তো তার মতো অযোগ্য কাউকে বেতন দিয়ে রাখবেনা বা সে নিজে হয়তো কোন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারবেনা বিধায় সে ঐ পথে চেষ্টা না করে শুধু সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি খুজে বেড়ায় । কারন সে নিজেই জানে যে সে অযোগ্য । কোন কাজের কাজ তাকে দিয়ে হবেনা । তাই সে এমন চাকরি চায়, যেখানে সে সময় মতো শুধু যাবে আর আসবে । কাজ না পারলে বা ভুল করলে কেউ তাকে কিছু বলবেনা । কাউকে কোন কৈফিয়ত দিতে হবেনা । কারো সামনে তার অযোগ্যতা প্রকাশ পাবেনা এমন একটি কাজই সে খুজে বেড়ায় ।

আর আমরা সবাই নিশ্চয় জানি, সরকারি চাকরির কোন মা- বাপ নেই । অবশ্য কথাটা মনে হয় শুধু আমাদের বাংলাদেশের বেলাতেই বেশি প্রযোজ্য । কারন আমাদের সোনার দেশ বাংলাদেশ । পৃথীবির অন্য সকল সভ্য ও উন্নত দেশেই সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিরও যথেষ্ট জবাবদিহিতা রয়েছে । এমনকি আমাদের পাশের দেশ ভারত এর সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও আমাদের চাইতে অনেক বেশি দায়িত্ববান ও যথেষ্ট জবাবদিহিতার ভিতর দিয়ে পরিচালিত হয় । অথচ আমাদের দেশের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের কোন জবাবদিহিতা নেই । কিছু কিছু ক্ষেত্রে থাকলেও তা নূন্যতম মাত্রার চাইতেও কম ।

ভূল তো দূরের কথা, ইচ্ছাকৃত ভাবে অন্যায় করলেও তার কোন জবাবদিহিতা নেই, শাস্তি নেই । কারন সাধারন সরকারি চাকুরিজীবিদের জবাবদিহিতা ও কাজের মান নির্নয় করার দায়িত্বে থাকেন যেই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা, তারা নিজেরাই একেকজন উচ্চস্তরের অসৎ, অলস ও অযোগ্য ব্যাক্তি । আর এই উচ্চস্তরের অসৎ, অলস ও অযোগ্য ব্যাক্তিদের নিয়ন্ত্রন করার এবং তাদের মাধ্যমে কাজ করিয়ে নেয়ার দায়িত্ব যে সরকারের (প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও এমপি) সেই সরকারের নিয়ন্ত্রন কর্তারাও অসৎ, অযোগ্য দূর্নীতিপরায়ন হিংসুটে ও লোভী । এরাই উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে দেশ গড়া নয় বরং দেশ ধংসের কাজে সদা নিয়োজিত ।

সরকারি চাকরি উন্নয়নের অন্তরায় হয়ে দাড়িয়েছে –

আমি নিশ্চিত যে, জন্মের পর থেকে শুধু আমি নই বরং আমরা সবাই দেখে আসছি যে আমাদের দেশে খালি উন্নয়ন হচ্ছেতো হচ্ছেই । উন্নয়নের কোনো বিরতি নেই । বছর বছর উন্নয়নের ফিরিস্তি শুনে শুনে আর দেশ কত কত দিক দিয়ে যে এগিয়ে যাচ্ছে তার হিসেব দেখেই আমাদের মাথা ভিমড়ি খাওয়ার জোগার হয় । মাঝে মাঝে মনে হয় এত উন্নয়ন কোথায় রাখবো ? সব উন্নয়নতো ইতিমধ্যেই করা শেষ । ভবিষ্যৎতে কোন সরকার এলেতো তারা আর উন্নয়ন করার মতো কিছু খুজেই পাবেনা । কারন তার আগেই সব কিছু উন্নয়ন করা হয়ে যাবে । তখন তারা শুধু বসে বসে মাছি মারবে ।

এত এত উন্নয়নের ফিরিস্তি জীবনে শুনেছি যে মনে হয় মাত্র ১০-১৫ বছরেই আমরা আমেরিকা চীন বা জাপানকে ছাড়িয়ে ফেলছি । সেই হিসেবে আমার ৩০ বছরের জীবনে দেশে যতটুকু উন্নয়ন হয়েছে তাতেই আমেরিকার চাইতে ডাবল উন্নত থাকার কথা আমাদের । তার আগের উন্নয়নগুলোতো বাদই দিলাম ।

অথচ বাস্তবতা হচ্ছে পুরো আমেরিকা তো দুরের কথা, আমেরিকার একটা রাজ্যের সমান যোগ্যতাও আমাদের নেই । বরং আমাদের চাইতে পিছিয়ে থাকা বহু দেশ আমাদের চাইতে কম উন্নয়ন করেও আমাদের চাইতে বেশি এগিয়ে গেছে । কারন তাদের উন্নয়ন আমাদের চাইতে কম হলেও যেটুকু হয়েছে বাস্তবেই হয়েছে । আর আমাদের উন্নয়ন বেশি হলেও প্রায় পুরোটাই মুখে মুখে আর বক্তৃতায় হয়েছে । বাস্তবে খুব কমই হয়েছে । আর যেটুকু হয়েছে সেটুকুও অপরিকল্পিত, অপ্রয়োজনিয় ও বাহাদুরি দেখানো উন্নয়ন ।

যেই ঘরে একটি পাখা প্রয়োজন, সেখানে ১ হাজার টাকার পাখা না লাগিয়ে তাদের দেওয়া হয়েছে ১০ হাজার টাকার টিভি । কারন এই ১০ হাজার টাকার টিভি প্রকল্পের আড়ালে খুব সহজেই ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকার দূর্নীতি করা যাবে । কিন্তু ১ হাজার টাকার পাখা কিনে লাগালে তো আর ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা চুরি করা যাবেনা ।

ঠিক তেমনি যেখানে প্রয়োজন রাস্তা দুই ফুট বড় করা সেখানে তা না করে করা হচ্ছে ফ্লাইওভার । যেখানে দরকার সাধারন ট্রেন সেখানে কেনা হচ্ছে ডেমু ট্রেন । যেখানে দরকার বাস বা ট্রাক স্ট্যান্ড, সেখানে করা হচ্ছে বিমানবন্দর । যেখানে দরকার কারিগরি প্রশিক্ষন কেন্দ্র বা ভকেশনাল স্কুল সেখানে করা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় । যেখানে দরকার খাল বা নদী খনন করা সেখানে করা হচ্ছে রাস্তা কেটে ড্রেন বানানোর মতো বেশি ব্যয়বহুল অথচ কম কার্যকরি প্রকল্প ।

এর সাথেও চলে আসে অযোগ্য লোকদের চাকরি পাওয়ার বিষয়টি । যোগ্য লোকরা কাজ করলে অবশ্যই এধরনের কাজের প্রতিবাদ করতো বা কিভাবে এসব কাজ বন্ধ করা যায় সেই চেষ্টা করতো । এতে তাদের চাকরি চলে যাওয়ার পরিস্থিতি হলেও তারা ভয় করতো না । কারন সরকারি চাকরি চলে গেলেও তারা অন্য যে কোনো কাজ করতে পারবে । কিন্তু অযোগ্যরা চোখের সামনে অপকর্ম ঘটলেও তার বিরুদ্ধে কোনো প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেনা । কারন তারা ভয়ে থাকে যে প্রতিরোধ করতে গিয়ে তাদের চাকরি চলে গেলে তারা অন্য কোন জায়গায় কোন কাজ করতে পারবেনা । তাদের জীনব অনিশ্চিত হয়ে পড়বে ।

আবার যারা ঘুষ দিয়ে চাকরিতে ঢুকে থাকে তারা তাদের দেয়া ঘুষের টাকা উঠাতে বিভিন্ন দূর্নীতিতে জড়িয়ে পরে । আবার দেখা যায়, একজন হয়তো বিজ্ঞান বিষয়ে পড়াশোনা করেছে অথচ চাকরি নিয়েছে হিসাবরক্ষকের । আবার একজন হয়তো রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেছে অথচ চাকরি নিয়েছে ব্যাংকারের । ফলে তারা ঠিক ভাবে তাদের কাজ করতে পারছেনা ।

আমি উপরে লিখেছি যে সরকারি চাকরি উন্নয়নের অন্তরায় হয়ে দাড়িয়েছে । কিন্তু আসলে সরকারি চাকরি উন্নয়নের অন্তরায় হয়ে দাড়ায়নি । উন্নয়নের অন্তরায় হয়ে দাড়িয়েছে অপরিকল্পিত সরকারি চাকরি ।

দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবেশ ভালো না হওয়ায় বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ আমাদের দেশে বরাবরই কম ।

কিন্তু সেই পরিবেশ ঠিক করার জন্য তেমন কোনো চেষ্টা না করে বেকারত্ব কমানোর নাম করে বিভিন্ন অপ্রয়োজনিয় খাতে সরকারি চাকরি দেয়া হচ্ছে । এতে একদিকে যেমন চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে মোটা অংকের ঘুষ আদায় করা যাচ্ছে তেমনি আবার বড় গলায় বলা যাচ্ছে, আমরা ১০ লাখ বা ২০ লাখ বেকারকে চাকরি দিয়েছে । কিন্তু এই ১০/২০ লাখ লোকের কাছ থেকে জনগন তেমন কোন সেবা পাচ্ছেনা । কারন তাদের ঠিকমতো সেবা দেয়ার যোগ্যতা বা ক্ষমতা নেই অথবা যেই সেবা দেয়ার জন্য তাদের বসানো হয়েছে সেই সেবা জনগনের প্রয়োজন নেই । এতে লোকসান হচ্ছে বিপুল পরিমান টাকা । কিন্তু তাতে সরকারের কি ? কারন টাকা যাচ্ছে জনগনের দেয়া রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে । মন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর কামাই করা টাকাতো খরচ হচ্ছেনা ।

কেন সরকারি চাকরি করার আশা ছাড়বেন ?

  • নিজের পছন্দের বিষয়ে কাজ করার সুযোগ আছে ।
  • বেসরকারি ক্ষেত্রেও ভালো বেতনে চাকরি পাওয়া যায় ।
  • যোগ্যতা দেখাতে পারলে দ্রুত পদোন্নতি পাওয়া যায় ।
  • সবার সামনে নিজেকে সেরা প্রমান করা যায় ।
  • বেসরকারি চাকরি পেতে ঘুস দিতে হয়না ।
  • আত্বকর্মসংস্থানের মাধ্যমে প্রচুর পরিমান আয় সম্ভব ।
  • প্রতিভা কাজে লাগানোর সুযোগ পাবেন ।
  • সরকারি চাকরির আশায় ছোট জীবনটার মূল্যবান সময় নষ্ট করা ঠিক হবেনা ।
  • সর্বোপরি সরকারি চাকরি ছাড়াও ভালো ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব ।

সরকারি চাকরি ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভালো ভবিষ্যৎ গড়া সম্ভব

সরকারি চাকরি না করেও অন্য বিভিন্ন পেশার মাধ্যমেও ভালো পরিমান আয় করে ভবিষ্যৎ সুন্দর ভাবে গড়ে তোলা সম্ভব । আপনি নিজেই একটু চিন্তা করে দেখুন তো, আপনার চারপাশে সবাই কি সরকারি চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করছে ? নিশ্চয় না । তাহলে আপনি কেন মন খারাপ করছেন ? কেন আপনি হতাশ হচ্ছেন ? কেন আপনি আপনার মূল্যবান সময় একটা সরকারি চাকরির আশায় নষ্ট করছেন ?

আমি বলছিনা যে সরকারি চাকরি করা যাবেনা বা সরকারি চাকরিতে আবেদন করার দরকার নেই । অবশ্যই আপনি সরকারি চাকরি করতে পারেন বা সরকারি চাকরির জন্য আবেদন করতে পারেন এবং সেই পছন্দের চাকরিটি পাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন । কিন্তু যদি এটাকেই আপনি একমাত্র লক্ষ বানিয়ে ফেলেন আর এটার পিছনে অতিরিক্ত সময়, অর্থ ও শ্রম ব্যয় করতে থাকেন সেটা আপনার জন্য হিতে বিপরীত হতে পারে । বড় মাছের আশায় বসে থেকে ছোট মাছ ছেড়ে দিলে চলবেনা । আপনি সরকারি চাকরির পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতেও চাকরি পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে জান । অথবা সম্ভব হলে ব্যবসাও করতে পারেন । সরকারি একটি চাকরি পাওয়ার জন্য অনেকে মোটা অংকের ঘুষও দেয় । এতে সে নিজেকেই নিজের কাছে ছোট করে ।

সরকারি চাকরি পাওয়ার জন্য ঘুষ দেয়া বড় ভুল

ধরুন আপনি যদি ২০ হাজার টাকা বেতনের একটি সরকারি চাকরি পাওয়ার জন্য ১০ লাখ টাকা ঘুস দেন তাহলে মাসে ২০ হাজার টাকা করে বেতন পেলে আপনার দেয়া সেই ঘুষের ১০ লাখ টাকা উঠতেই ৫ বছরের কিছু বেশি সময় লেগে যাবে । অতএব বলা যায় এই পাচ বছর আপনি কোন বেতন ছাড়াই কাজ করলেন । কারন এতদিনে আপনি যত টাকা পেয়েছেন সেটাতো আপনারই দেয়া টাকা । অতএব ৫ বছরে আপনার আয় হবে শূন্য টাকা । আর অন্যদিকে যদি আপনার কোন বন্ধু ঘুষ ছাড়া মাসে ১৫ হাজার টাকা বেতনের চাকরি করে তাহলে ৫ বছরে তার আয় হবে নয় লাখ টাকা । আর যেহেতু সে ঘুষ দিয়ে চাকরি নেয়নি তাই পুরো টাকাটাই তার আয়ের খাতায় যোগ হবে ।

তাহলে ভাবুন যেখানে আপনি ঘুষ দিয়ে একটি সরকারি চাকরি নিয়ে ৫ বছরে শূন্য টাকা আয় করছেন সেখানে আপনার সেই বন্ধুটি মাসে আপনার চাইতে ৫ হাজার টাকা কম আয় করেও ৯ লাখ টাকা এগিয়ে আছে । আর সেই বন্ধুটি যদি ১০ লাখ টাকা ঘুষ না দিয়ে সেই ১০ লাখ টাকা ব্যাংকে রাখে বা কোন ব্যবসায় বিনিয়োগ করে তাহলে সেই টাকা থেকে পাওয়া সুদ বা লাভ মিলিয়ে সে আপনারর চাইতে কতটা এগিয়ে যাবে ? আর আমরা সবাই জানি যে আমাদের দেশে সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেতে ৯০% ক্ষেত্রেই ঘুষ দিতে হয় । তাই আমি বারবার ঘুষের কথা উল্লেখ করেছি ।

আবার ধরুন আপনি সরকারি চাকরি পাবার আশায় ৩ বছর বেকার বসে আছেন । অর্থ্যৎ ৩ বছর আপনার কোন আয় নেই । অন্যদিকে আপনার সেই বন্ধুটি তিন বছরে কত টাকা বেতন তুলেছে সেটা আপনিই হিসাব করুন । এতএব দেখা যাচ্চে সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি আপনাকে এগিয়ে দেয়ার বদলে আরো পিছিয়ে দিচ্ছে। সুতরাং আমি বলতে চাই যদি ঘুষ ছাড়া এবং স্বাভাবিক পরিমান সময় ও শ্রম ব্যয় করে সরকারি চাকরি পান তাহলে করুন অন্যথায় বিকল্প পথ দেখুন । নিজে হতাশ হবেননা, পাশাপাশি পরিবার পরিজনকেও হতাশ করবেন না ।

এতএব দেখা যাচ্ছে সরকারি চাকরি পাওয়ার প্রতি অতিরিক্ত লোভ যেমন জাতীয় জীবনে উন্নয়নের অন্তরায় তেমনি ব্যাক্তিগত জীবনেও উন্নয়ন ও অগ্রগতির অন্তরায় । তাই আপনাদের প্রতি আমার আহবান, বিশেষ একটি সুযোগের আশায় বসে না থেকে ছোট ছোটট সুযোগ গুলো কাজে লাগান । কষ্ট করে লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।

ট্যাগ গুলো

মতামত যোগ করুন

মতামত দিতে ক্লিক করুন

error: দুঃখিত, অনুলিপি করা যাবে না ! পরে এই কন্টেন্ট প্রয়োজন হলে আপনার সামাজিক অ্যাকাউন্টের সাথে ভাগ করুন।