নিবন্ধ

সামরিক ক্ষেত্রে অতীতের বাংলা

fancim.com

সামরিক ক্ষেত্রে অতীতের বাংলা –

সামরিক ক্ষেত্রে অতীতের বাংলা একসময় কতটা সমৃদ্ধ ছিল তার একটি উদাহরণ।

সুলতান বারবাক শাহ ১৪৫৯ থেকে ১৪৭৪ ইং পর্যন্ত আমাদের বাংলা শাষন করেন।
তার বিশাল সেনাবাহিনী ছিল। বাংলার সাধারণ সেনাবাহিনীতেই নূন্ন্যতম ৬লাখ সৈন্য ছিল, এতো গেলো সাধারণ নিয়মিত সেনাবাহিনী। এছাড়াও বারবাক শাহ্‌ হাবশা(ইথিওপিয়া)থেকে হাব্‌শী(নিগ্রো)আমদানী করে ৮০,০০০ হাবশীর সমন্বয়ে ১টি বাহিনী গড়ে তুলেছিলেন। অর্থাৎ তার ৬ লাখ সৈন্য ছাড়াও ৮০,০০০ নিগ্রো সেনা সমন্বয়ে মোট সৈন্য সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৮০ হাজার! বাঙ্গালী সেনাদের নাম ছিল পাইক আর নিগ্রো সেনাদের নাম ছিল হাবশী। ( নিরাপত্তার সার্থে হাবশী সেনাদের খোজা করে দেয়া হত) তার এই বিশাল সেনাবাহিনী দিয়ে একের পর এক রাজ্য জয় করেছেন। আমরা তখন ছিলাম বীরের জাতি। নিজেদের নিয়ে গর্ব করতাম। অন্যদের নিয়ে লাফালাফি করতাম না। বৃটিশরা বিভিন্ন ভাবে আমাদের মাঝে দাস মনভাব ঢুকাতে সক্ষম হয় এবং তার প্রভাব যে এখনো কমেনি তা বর্তমানের বিভিন্ন প্রেক্ষাপট লক্ষ করলেই দেখা যায়। বারবাক শাহ এর সেনাবাহিনীর নিজস্ব পদবিন্যাস ছিল, এখনকার মত বিদেশী কপি নয়। নিচে শ্রেণিবিন্যাস দেয়া হল।

অতীতের  বাংলার স্থল বাহিনীর পদ বিন্যাস

১/ সার-ই-খাইল ( ১০ জন অশ্বারোহী প্রধান)
২/ সালার ( ১০০ জন সেনা বা ১০ জন সার-ই-খাইল এর অধিনায়ক)
৩/ আমীর ( ১০০০ জন সেনা বা ১০ জন সালার এর অধিনায়ক)
৪/ মালিক ( ১০০০০ জন সেনা বা ১০ জন আমির এর অধিনায়ক)
৫/খান ( ১০০০০০ জন সেনা বা ১০ জন মালিক এর অধিনায়ক) কয়েকজন খানের উপর থাকতেন একজন সার-ই-লাশক্বর ( সেনাপ্রধান)
সার-ই-লাশক্বরদের ভেতর থেকে নিয়োগ দেয়া হত গোটা সম্রাজের সেনাপ্রধান। তার পদবি হত সার-ই-লাশক্বর-ই-বাঙ্গালাহ। অধিকাংশ সময় যুবরাজ এইপদ অধিকার করতেন।
.
(সংগৃহীত)

ট্যাগ গুলো
error: দুঃখিত, অনুলিপি করা যাবে না ! পরে এই কন্টেন্ট প্রয়োজন হলে আপনার সামাজিক অ্যাকাউন্টের সাথে ভাগ করুন।