Home » বাংলাদেশের সাবমেরিন ঠেকাতে মায়ানমারকে টর্পেডো দিলো ভারত
বাংলা সংবাদ

বাংলাদেশের সাবমেরিন ঠেকাতে মায়ানমারকে টর্পেডো দিলো ভারত

শিয়েনা নামক সাবমেরিন প্রতিরোধী উন্নত হালকা টর্পেডোর (টিএএল) প্রথম চালান মিয়ানমারে পাঠিয়েছে ভারত।

২ বছর আগের একটি চুক্তির আওতায় ভারত এসব প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম মায়ানমারের কাছে বিক্রি করলো ।

ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ভারত ডায়নামিকস লিমিটেড (বিডিএল) এসব টর্পোডো তৈরি করেছে। ক্ষেপণ ব্যবস্থাসহ টর্পেডো সংযোজনের পেছনে ছিল বহুজাতিক প্রকৌশল কোম্পানি লারসেন অ্যান্ড টারবো।

শিয়েনা ভারতে স্থানীয়ভাবে তৈরি প্রথম সাবমেরিন প্রতিরোধী হালকা টর্পেডো।

এটার মডেল তৈরি হয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার (ডিআরডিও) ন্যাভাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ল্যাবরেটরিতে।

হায়দ্রাবাদের ভিশাখাপত্তনামে বিডিএলের নিজস্ব কারখানায় এসব টর্পেডো তৈরি করা হয়।

ভারত এর আগে মিয়ানমারে অ্যাকোয়াস্টিক ড্রোন, ন্যাভাল সোনারসহ অন্যান্য সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে।

সীমান্তে বিদ্রোহ দমনেও দুই দেশ নিজেদের মধ্যে সহযোগিতায় সম্মত হয়েছে।
এবার নতুন করে শিয়েনা টর্পেডো সরবরাহ দুই দেশের মধ্যে জোরদার সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়।

তবে ঠিক কতটি টর্পেডো সরবরাহ করা হয়েছর ও মিয়ানমার নৌবাহিনীর কোন বহরে এসব যুক্ত হবে সেবিষয়ে ভারত বা মায়ানমার তথ্য গোপন রেখেছে ।

এসব টর্পেডো ক্রয়ের জন্য ২০১৭ সালে মিয়ানমার ভারতকে ৩১৫ কোটি টাকা প্রদান করে ।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ দুইটি এট্যাক সাবমেরিন কেনার পর ভারত ও মায়ানমারের মাঝে উদ্বেগ বৃদ্ধি পায়। এসময় ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে এসে সাবমেরিন না কেনার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে অনুরোধ করেন এবং বিনিময়ে ভারতের কাছ থেকে বিভিন্ন অস্ত্র আমদানির প্রস্তাব দেন । তবে বাংলাদেশের সরকার ভারতের কাছ থেকে অস্ত্র আমদানির প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয় । এরপর থেকে ভারত মায়ানমারকে বেশি বেশি সামরিক সহযোগিতা করছে যা বাংলাদেশের উপর পরোক্ষ প্রতিশোধ নেয়া হচ্ছে বলে অনেকের ধারনা ।

এখানে আরো লক্ষনীয় যে, বর্তমানে দক্ষিন এশিয়ায় ভারত এবং পাকিস্তানের পর বাংলাদেশের নৌবাহিনী সবচেয়ে শক্তিশালি এবং বঙ্গপোসাগরে নিজেদের আধিপত্য বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ নৌবাহিনী চেষ্টা করে যাচ্ছে । বাংলাদেশ নৌবাহিনীর হাতে বর্তমানে অন্তত ৬টি নির্দেশিত ক্ষেপনাস্ত্র বাহি ফ্রিগেট যুদ্ধজাহাজ এবং আরো বেশ কয়েকটি নির্দেশিত ক্ষেপনাস্ত্র বাহি করভেট যুদ্ধজাহাজ, দুইটি এট্যাক সাবমেরিন ও আরো বহু যুদ্ধাজাহাজ রয়েছে ।

এছাড়া দক্ষিন এশিয়ায় ভারতের পরেই অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশের অবস্থান । বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা পাকিস্তানের চাইতেও অনেক শক্তিশালি । ভারত যেখানে শুধু পাকিস্তানকে সামলাতেই হিমশিম খাচ্ছে সেখানে বাংলাদেশও যদি অস্ত্র প্রতিযোগিতা শুরু করে তাহলে ভারত ও মায়ানমার কতটা সামলাতে পারবে তা প্রশ্ন রয়ে যায় ।

মায়ানমারের সাথে কয়েকবছর যাবত বাংলাদেশের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে । রোহিংগাদের জোর করে বাংলাদেশে ঢুকানোর ইস্যুকে কেন্দ্র করে মায়ানমারের সাথে বেশ কয়েকবার বাংলাদেশের যুদ্ধ বেধে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিলো ।

Add Comment

Click here to post a comment

এই সপ্তাহের সর্বাধিক দেখা ভিডিও:

বাংলাদেশীদের জন্য সেরা অ্যাপ

BD MEDIA MATE APP SCREENSHOT

আমাদের ওয়েবসাইটের জনপ্রিয় পোস্টগুলি:

BEST APP FOR US PEOPLE

US MEDIA MATE APP