Home » শক্তিশালী দেশ তৈরির ১০ টি টিপস (রাষ্ট্রপ্রধানদের জন্য)
নিবন্ধ

শক্তিশালী দেশ তৈরির ১০ টি টিপস (রাষ্ট্রপ্রধানদের জন্য)

শক্তিশালী দেশ তৈরির ১০ টি টিপস (রাষ্ট্রপ্রধান দের জন্য)

১– খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্নতা অর্জন । অন্তত দেশের প্রধান কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ন হতে হবে ।

২– জ্বালানি খাতে আত্বনির্ভরশীল হওয়া । এজন্য জ্বালানি সাশ্রয়ি প্রযুক্তি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করতে হবে ।

৩– উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা ও ভালো মানসম্পন্ন ঔষুধ তৈরি । দেশের মানুষের যেন চিকিৎসা ও ঔষুধের জন্য অন্য দেশে দৌড়াতে না হয় সেই ব্যবস্থা করতে হবে ।

৪– আমদানি নির্ভরতা কমানো । কিছু কিছু জিনিসতো আমদানি করতেই হবে । তবে নিত্যপ্রয়োজনিয় পন্য এবং দরকারি জিনিসপত্রের জন্য আমদানির উপর নির্ভর করলে চলবেনা ।

৫– দেশের যে কোন প্রান্তে দ্রুত যাতায়াতের জন্য অন্তত দুইটি ব্যবস্থা চালু রাখা । সড়কপথ, নৌপথ, রেলপথ ও বিমানপথের মধ্যে অন্তত দুইটি দ্রুতগতির যাতায়াত ব্যবস্থা সবসময় সচল রাখতে হবে । যেন একটিতে সমস্যা হলে অন্যটি দিয়ে কাজ চালানো যায় ।

৬– অথর্নৈতিক উন্নতি । উপরের পয়েন্টগুলো ঠিক থাকলে এমনিতেই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়ে যাবে । তারপরও বিশেষ ভাবে দুইটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে । * দেশীয় উদ্যোগগুলো যেন লাভজনক হয় সেই ব্যবস্থা করতে হবে * অর্থ যেন বিদেশে পাচার হয়ে না যায় সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে ।

৭– কাছাকাছি যে কোনো একটি দেশের সাথে হালকা বৈরিতা বজায় রাখা । যেন সেই দেশের সাথে মাঝে মধ্যে কিছুটা উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করা যায় । এতে করে মনে তেজ আসবে এবং পাশাপাশি প্রতিযোগিতায় তাদের চাইতে এগিয়ে থাকার আগ্রহ তৈরি হবে ।

৮– কাছাকাছি অন্য যে কোনো একটি বা দুইটি দেশের সাথে ভালো বানিজ্যিক/অথর্নৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা । তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের আমদানি করা এবং তাদের খুব প্রয়োজনিয় কিছু অন্যদের চাইতে অনেকখানি কম মূল্যে রপ্তানি করা । এতে করে তাদের সাথে একটি ভালো সম্পর্ক তৈরি হবে এবং তারা তাদের লাভের জন্যই আমাদের পক্ষে কথা বলবে এবং হয়তো বিপদের সময় টুকটাক সহযোগিতাও করতে পারে ।

৯– সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা । দেশের সম্পূর্ন সিমান্ত নজরদারির ভেতরে থাকতে হবে । বাইরের কোনো লোক যেন অনুমতি ছাড়া দেশে ঢুকতে না পারে এবং দেশের কোন লোক যেন অনুমতি ছাড়া বের হতে না পারে সেই ব্যবস্থা থাকতে হবে । সিমান্তে ৮-১০ কি.মি. পর পর ক্যাম্প থাকতে হবে । কোনো ক্যাম্প আক্রান্ত হলে যেন আধাঘন্টার মধ্যে অন্য ক্যাম্পের সৈন্যরা সেখানে পৌছাতে পারে সেই ব্যবস্থা থাকতে হবে ।

১০– তিন বাহিনীর জন্য অন্তত তিনটি কৌশলগত অস্ত্র নিজ দেশেই তৈরি করা এবং সেগুলো যেন অবশ্যই ভালো মানের হয় তা নিশ্চিত করা । হতে পারে সেটি SAM বা ড্রোন বা টর্পেডো বা সাবমেরিন বা আর্টিলারি বা স্নাইপার রাইফেল । যেটিই হোকনা কেন, প্রতিটি বাহিনীর জন্য প্রয়োজন অনুযায়ি অন্তত ১টি করে কৌশলগত অস্ত্র নিজ দেশেই বানাতে হবে পর্যাপ্ত সংখ্যক এবং অবশ্যই সেটি ভালো মানের হতে হবে ।

আপনি যদি কখনো যে কোনো দেশের রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রি হওয়ার সুযোগ পান তাহলে মাত্র এই ১০টি টিপস মেনে চললেই আপনার দেশকে একটি অত্যান্ত শক্তিশালী দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন ।

এই সপ্তাহের সর্বাধিক দেখা ভিডিও:

বাংলাদেশীদের জন্য সেরা অ্যাপ (১টি এপে একত্রে ২৮ টি সংবাদপত্র)

আমাদের ওয়েবসাইটের জনপ্রিয় পোস্টগুলি:

No.1 note taking app of Play Store

Don`t copy text!