Home » পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতিও জানেনা পাকিস্তানের পারমানবিক ক্ষেপনাস্ত্রগুলো কোথায় রাখা আছে!
বাংলা সংবাদ

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতিও জানেনা পাকিস্তানের পারমানবিক ক্ষেপনাস্ত্রগুলো কোথায় রাখা আছে!

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলো তাদের পারমাণবিক অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্রের অবস্থান, সংরক্ষণ পদ্ধতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে অত্যন্ত গোপন রাখে। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে এই তথ্য রাষ্ট্রের সব উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার কাছেও পুরোপুরি উন্মুক্ত থাকে না। এর মূল উদ্দেশ্য হলো জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সংবেদনশীল সামরিক তথ্য ফাঁস হওয়ার ঝুঁকি কমানো।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, পারমাণবিক অস্ত্রের অবস্থান সম্পর্কে যত কম মানুষ জানবে, ততই শত্রু রাষ্ট্র, গুপ্তচর সংস্থা কিংবা অন্য কোনো পক্ষের পক্ষে সেই তথ্য সংগ্রহ করা কঠিন হবে। এ কারণে অনেক দেশে “Need to Know Basis” নীতি অনুসরণ করা হয়, অর্থাৎ যার যতটুকু জানার প্রয়োজন, তাকে কেবল ততটুকুই তথ্য দেওয়া হয়।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক নেতৃত্ব সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। সরকার পরিবর্তন, রাজনৈতিক সংকট বা ক্ষমতা হারানোর পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা অন্য দেশে আশ্রয় গ্রহন করে থাকে। সে সময় উক্ত নেতাকে নিরাপত্তা ও আশ্রয় দানের বিনিময়ে চাপ দিয়ে বা প্রলোভন দেখিয়ে বা অন্য যে কোন কৌশলে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন গোপন তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে আশ্রয়দানকারী দেশগুলো।

ফলে দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে কিছু অত্যন্ত সংবেদনশীল সামরিক তথ্য সীমিত পরিসরে রাখার ব্যবস্থা অনেক দেশ গ্রহণ করে থাকে।

এই ধরনের নীতির আলোকেই ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, ইসরাইল, পাকিস্তানের মত কয়েকটি দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদেরকেও সেসব দেশের পারমানবিক ক্ষেপনাস্ত্রগুলো ঠিক কোন জায়গায় কতটি করে লুকিয়ে রাখা হয়েছে বা সংরক্ষন করা হয়েছে তা জানানো হয়না।
এসব দেশের নেতারা তাদের দেশের পারমানবিক ক্ষেপনাস্ত্রগুলো সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানলেও একদম স্পর্শকাতর তথ্যগুলো তাদের জানানো হয়না।

ঠিক এমন নীতি মেনে চলে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী।
পাকিস্তানের কোন মন্ত্রীতো দুরের কথা, এমনকি পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীরাও জানেনা পাকিস্তানের পারমানবিক ক্ষেপনাস্ত্রগুলো কখন, কোথায়, কতটি রাখা আছে। শুধু সেনাবাহিনি জানে। মানে সেনাবাহিনীর সবাই না শুধু মাত্র একটা নির্দিষ্ট ইউনিটের সদস্যরা জানে যারা সেই পারমানবিক ক্ষেপনাস্তগুলোর পাহাড়া দেয়া বা নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত। সেইসব পাহাড়াদারদের আবার সারাজীবন কঠোর গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হয়।

এছাড়া সবগুলো ক্ষেপনাস্ত্র এক স্থানে রাখা হয়না। দেশের বিভিন্ন গোপন স্থানে আলাদা আলাদা বাংকারে রাখা হয়। একটি বাংকারের পাহাড়াদারেরা জানেনা আরেক দল পাহাড়াদারের কোন তথ্য বা পরিচয়!

এই সপ্তাহের সর্বাধিক দেখা ভিডিও:

বাংলাদেশীদের জন্য সেরা অ্যাপ (১টি এপে একত্রে ২৮ টি সংবাদপত্র)

আমাদের ওয়েবসাইটের জনপ্রিয় পোস্টগুলি:

No.1 note taking app of Play Store

Don`t copy text!